ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

২০০৯সাল থেকে নৌকার প্রার্থী পরিচয়ে মাঠে নেমে হতাশ রাব্বানী

সারোয়ার হোসেন
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৯:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৩ ৮৮ বার পড়া হয়েছে

তানোর প্রতিনিধি:


রাজশাহী-১(তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে এমপি হওয়ার ক্ষোয়াব নিয়ে ২০০৯ সাল থেকে শুরু হয়েছে তিন বারের সফল জনপ্রিয় এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে গোলাম রাব্বানীর দৌড় ঝাঁপ। তবে এ দৌড় ঝাঁপ কেন্দ্র পর্যন্ত না পৌঁছালেও রাজশাহীর লক্ষিপুর মোড়ে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছে গোলাম রাব্বানীর নাম।

তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগ দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ ও ২০১৪ সালে পরপর দুইবার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয় তৎকালীন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানীকে। অথচ আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে দুইবার বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে চাকা মার্কা নিয়ে ভোট করেন তৎকালীন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন। যার জন্য পরপর দুইবারই বিপুল ভোটে বিএনপির প্রার্থী প্রয়াত এমরান আলী মোল্লার (ধানের) শীষ প্রতীকের কাছে পরাজিত বরণ করতে হয় আওয়ামী লীগের প্রার্থী গোলাম রাব্বানীকে। ফলে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ বার বার বিএনপির কাছে হারাতে হয়েছে আওয়ামী লীগকে।

এছাড়াও পরবর্তীতে (২০১৯)সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে না দিয়ে দেয়া হয় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশীদ ময়নাকে। কিন্তু আবারো দলীয় মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে ওয়ার্কার্স পার্টির হাতুড়ি মার্কা নিয়ে ভোট করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানীর ছোট ভাই শরিফুল ইসলাম। অবশ্য সেইবার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রকার্শে বিরোধিতা করলেও বিপুল ভোটে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশীদ ময়না। তার পরেও বিরোধিতা করতে মরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী। তিনি আওয়ামী লীগের সংগঠন নিয়ে শুরু করেছে নিজের ইচ্ছে মত ইদুর বিড়াল খেলা।

যা সম্প্রতি,মুন্ডুমালা পৌরসভা নির্বাচনে ধরা পড়ে তাদের এই চক্রান্তের বেড়াজাল। মুন্ডুমালা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রকার্শে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী তার অনুগত সাইদুর রহমানকে বিদ্রোহী প্রার্থী করে জগ মার্কা নিয়ে ভোটে দাঁড় করান। শুধু তাই না উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী প্রকার্শে এবং গোপনে নৌকার বিপক্ষে ভোট করাই জগ মার্কার কাছে ফেল করতে হয় আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থীকে। তাও আবার গোলাম রাব্বানীর নিজ ভোট সেন্টারে ৬৭ ভোটে নৌকা ফেল করে বিদ্রোহী প্রার্থীর জগ মার্কা বিজয়ী হন।

অথচ তাকে পরপর দুইবার এই মুন্ডুমালা পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত করেছেন এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী। আর সেই রাব্বানী এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এমপি হওয়ার ক্ষোয়াব দেখছেন। যা শুধু দুঃস্বপ্ন ছাড়া কিছু না। তানোর গোদাগাড়ী জামাত বিএনপির ঘাঁটি, আর সেই ঘাঁটি ভেঙ্গে তছনছ করে দিয়েছেন একমাত্র এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী। তার বিকল্প ভাবা মানেই হবে তানোর গোদাগাড়ীতে জামাত বিএনপির জয়জয়কার। তানোর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশীদ ময়না বলেন,শুধু তানোর-গোদাগাড়ী আসনের জন্য নয়, এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের আশা ভরসার জায়গা। তানোর গোদাগাড়ী আসনে আবারো নৌকার মাঝি হবেন বরেন্দ্র অঞ্চলের পোড়া মাটির শহীদ পরিবারের সন্তান এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী।


প্রসঙ্গনিউজবিডি/জে.সি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

২০০৯সাল থেকে নৌকার প্রার্থী পরিচয়ে মাঠে নেমে হতাশ রাব্বানী

আপডেট সময় : ০৪:৪৯:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৩

তানোর প্রতিনিধি:


রাজশাহী-১(তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে এমপি হওয়ার ক্ষোয়াব নিয়ে ২০০৯ সাল থেকে শুরু হয়েছে তিন বারের সফল জনপ্রিয় এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে গোলাম রাব্বানীর দৌড় ঝাঁপ। তবে এ দৌড় ঝাঁপ কেন্দ্র পর্যন্ত না পৌঁছালেও রাজশাহীর লক্ষিপুর মোড়ে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছে গোলাম রাব্বানীর নাম।

তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগ দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ ও ২০১৪ সালে পরপর দুইবার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয় তৎকালীন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানীকে। অথচ আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে দুইবার বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে চাকা মার্কা নিয়ে ভোট করেন তৎকালীন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন। যার জন্য পরপর দুইবারই বিপুল ভোটে বিএনপির প্রার্থী প্রয়াত এমরান আলী মোল্লার (ধানের) শীষ প্রতীকের কাছে পরাজিত বরণ করতে হয় আওয়ামী লীগের প্রার্থী গোলাম রাব্বানীকে। ফলে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ বার বার বিএনপির কাছে হারাতে হয়েছে আওয়ামী লীগকে।

এছাড়াও পরবর্তীতে (২০১৯)সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় মনোনয়ন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে না দিয়ে দেয়া হয় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশীদ ময়নাকে। কিন্তু আবারো দলীয় মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে ওয়ার্কার্স পার্টির হাতুড়ি মার্কা নিয়ে ভোট করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানীর ছোট ভাই শরিফুল ইসলাম। অবশ্য সেইবার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রকার্শে বিরোধিতা করলেও বিপুল ভোটে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশীদ ময়না। তার পরেও বিরোধিতা করতে মরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী। তিনি আওয়ামী লীগের সংগঠন নিয়ে শুরু করেছে নিজের ইচ্ছে মত ইদুর বিড়াল খেলা।

যা সম্প্রতি,মুন্ডুমালা পৌরসভা নির্বাচনে ধরা পড়ে তাদের এই চক্রান্তের বেড়াজাল। মুন্ডুমালা পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রকার্শে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী তার অনুগত সাইদুর রহমানকে বিদ্রোহী প্রার্থী করে জগ মার্কা নিয়ে ভোটে দাঁড় করান। শুধু তাই না উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী প্রকার্শে এবং গোপনে নৌকার বিপক্ষে ভোট করাই জগ মার্কার কাছে ফেল করতে হয় আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থীকে। তাও আবার গোলাম রাব্বানীর নিজ ভোট সেন্টারে ৬৭ ভোটে নৌকা ফেল করে বিদ্রোহী প্রার্থীর জগ মার্কা বিজয়ী হন।

অথচ তাকে পরপর দুইবার এই মুন্ডুমালা পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত করেছেন এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী। আর সেই রাব্বানী এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এমপি হওয়ার ক্ষোয়াব দেখছেন। যা শুধু দুঃস্বপ্ন ছাড়া কিছু না। তানোর গোদাগাড়ী জামাত বিএনপির ঘাঁটি, আর সেই ঘাঁটি ভেঙ্গে তছনছ করে দিয়েছেন একমাত্র এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী। তার বিকল্প ভাবা মানেই হবে তানোর গোদাগাড়ীতে জামাত বিএনপির জয়জয়কার। তানোর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশীদ ময়না বলেন,শুধু তানোর-গোদাগাড়ী আসনের জন্য নয়, এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের আশা ভরসার জায়গা। তানোর গোদাগাড়ী আসনে আবারো নৌকার মাঝি হবেন বরেন্দ্র অঞ্চলের পোড়া মাটির শহীদ পরিবারের সন্তান এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী।


প্রসঙ্গনিউজবিডি/জে.সি