ঢাকা ০৩:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ডেঙ্গুর জন্য এইচএসসি পরীক্ষা পেছানোর সুযোগ নেই: ডা. দীপু মনি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২৪:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অগাস্ট ২০২৩ ৮৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:


‘এইচএসসি পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই,’ জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘আমাদের সিদ্ধান্ত আছে পরীক্ষার সময় যদি কোনো যায়গায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পরীক্ষা বন্ধ করতে হয়, সেই স্থানে স্থানীয়ভাবে পরীক্ষা বন্ধ থাকবে বাকি সারাদেশে পরীক্ষা চলবে।’

আজ শুক্রবার দুপুরে চাঁদপুর শহরের লেডি প্রতিমা মিত্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সম্প্রসারিত একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিবছরই হয়, এ বছর হয়তো প্রকোপটা একটু বেশি। সেই ডেঙ্গু পরিস্থিতির জন্য সারাদেশে এইচএসসি পরীক্ষার মতো পাবলিক পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। সারাদেশের প্রায় ১৪ লাখ পরীক্ষার্থীর জন্য বহু আগেই ঘোষিত ১৭ আগস্ট তারিখে এইচএসসি পরীক্ষা হবে। সে অনুযায়ী তারা প্রস্তুতি নিয়েছে এবং তারা পরীক্ষা দেওয়ার জন্য একদম প্রস্তুত।’

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সম্পর্কে ডা. দীপু মনি বলেন, ‘কিছু পরীক্ষার্থী সবসময় পরীক্ষার আগে চিন্তা করে, আরেকটু সময় পেলে ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া যাবে। সেজন্য এত পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া যায় না। এটি পাবলিক পরীক্ষা, এটি সঠিক সময়ে নেওয়া জরুরি। এমনিতে কোভিডের কারণে অনেক সময় পিছিয়ে পরীক্ষা নিতে হচ্ছে এবং এ বছর আমরা চেষ্টা করছি পরীক্ষা এগিয়ে নিতে। আগামী বছর আমরা চেষ্টা করব স্বাভাবিক সময়ে নিতে।

এর মধ্যে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের চিন্তা থাকে। সেজন্য আইসিটি বিষয়ে কম নম্বরে পরীক্ষা হচ্ছে। পুরো পরীক্ষা কম নম্বরে অর্থাৎ পুনর্বিন্যাস নম্বরে পরীক্ষা হচ্ছে। কাজেই যে অল্প সংখ্যক শিক্ষার্থী আন্দোলনে আছে, তারা রাস্তাঘাটে এই আন্দোলন না করে, পড়ার টেবিলে ফিরে যাক এবং তারা প্রস্তুতি নিলে আমি বিশ্বাস করি তারা ভালো করবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের তো পরীক্ষায় শতভাগ পাস করে না। যারা পাস করে না, তারা পরের বছর পরীক্ষা দেয়। যারা ভালো করে না, তারা মান উন্নয়নের জন্য পরের বছর পরীক্ষা দেয়। এই সুযোগগুলো আছে। কাজেই পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই। আমাদের পরীক্ষার্থীরা যেন সবাই পড়ার মধ্যে মনোনিবেশ করে, তাদের জন্য শুভ কামনা রইল।’

এসময় সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. হেদায়েত উল্যাহ, জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক রনজিত রায় চৌধুরী, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান বাবুল, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাম্মৎ মোর্শেদা ইয়াসমিনসহ সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে মন্ত্রী শহরের পুরানবাজার ডিগ্রি কলেজে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা চত্বরের উদ্বোধন করেন।


প্রসঙ্গনিউজবিডি/জে.সি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ডেঙ্গুর জন্য এইচএসসি পরীক্ষা পেছানোর সুযোগ নেই: ডা. দীপু মনি

আপডেট সময় : ১১:২৪:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অগাস্ট ২০২৩

নিউজ ডেস্ক:


‘এইচএসসি পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই,’ জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘আমাদের সিদ্ধান্ত আছে পরীক্ষার সময় যদি কোনো যায়গায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পরীক্ষা বন্ধ করতে হয়, সেই স্থানে স্থানীয়ভাবে পরীক্ষা বন্ধ থাকবে বাকি সারাদেশে পরীক্ষা চলবে।’

আজ শুক্রবার দুপুরে চাঁদপুর শহরের লেডি প্রতিমা মিত্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সম্প্রসারিত একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিবছরই হয়, এ বছর হয়তো প্রকোপটা একটু বেশি। সেই ডেঙ্গু পরিস্থিতির জন্য সারাদেশে এইচএসসি পরীক্ষার মতো পাবলিক পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। সারাদেশের প্রায় ১৪ লাখ পরীক্ষার্থীর জন্য বহু আগেই ঘোষিত ১৭ আগস্ট তারিখে এইচএসসি পরীক্ষা হবে। সে অনুযায়ী তারা প্রস্তুতি নিয়েছে এবং তারা পরীক্ষা দেওয়ার জন্য একদম প্রস্তুত।’

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সম্পর্কে ডা. দীপু মনি বলেন, ‘কিছু পরীক্ষার্থী সবসময় পরীক্ষার আগে চিন্তা করে, আরেকটু সময় পেলে ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া যাবে। সেজন্য এত পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া যায় না। এটি পাবলিক পরীক্ষা, এটি সঠিক সময়ে নেওয়া জরুরি। এমনিতে কোভিডের কারণে অনেক সময় পিছিয়ে পরীক্ষা নিতে হচ্ছে এবং এ বছর আমরা চেষ্টা করছি পরীক্ষা এগিয়ে নিতে। আগামী বছর আমরা চেষ্টা করব স্বাভাবিক সময়ে নিতে।

এর মধ্যে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের চিন্তা থাকে। সেজন্য আইসিটি বিষয়ে কম নম্বরে পরীক্ষা হচ্ছে। পুরো পরীক্ষা কম নম্বরে অর্থাৎ পুনর্বিন্যাস নম্বরে পরীক্ষা হচ্ছে। কাজেই যে অল্প সংখ্যক শিক্ষার্থী আন্দোলনে আছে, তারা রাস্তাঘাটে এই আন্দোলন না করে, পড়ার টেবিলে ফিরে যাক এবং তারা প্রস্তুতি নিলে আমি বিশ্বাস করি তারা ভালো করবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের তো পরীক্ষায় শতভাগ পাস করে না। যারা পাস করে না, তারা পরের বছর পরীক্ষা দেয়। যারা ভালো করে না, তারা মান উন্নয়নের জন্য পরের বছর পরীক্ষা দেয়। এই সুযোগগুলো আছে। কাজেই পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই। আমাদের পরীক্ষার্থীরা যেন সবাই পড়ার মধ্যে মনোনিবেশ করে, তাদের জন্য শুভ কামনা রইল।’

এসময় সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. হেদায়েত উল্যাহ, জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক রনজিত রায় চৌধুরী, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান বাবুল, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাম্মৎ মোর্শেদা ইয়াসমিনসহ সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে মন্ত্রী শহরের পুরানবাজার ডিগ্রি কলেজে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা চত্বরের উদ্বোধন করেন।


প্রসঙ্গনিউজবিডি/জে.সি