মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ০৩:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রাক্তন ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে সহকারী প্রক্টরের নেইমারকে ছাড়াই জয় ব্রাজিলের ‘বিএনপি উচ্ছৃঙ্খলতা করলে বরদাশত করা হবে না’- রাসিক মেয়র ছোট্ট স্বপ্নের গল্পপাঠের আসর ১১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতির পিতার মৃত্যুতে রাসিক মেয়রের শোক ঢাকা থেকে নৌকা নিয়ে বাঘায় পৌঁছে ফুলে ফুলে সিক্ত হলেন-পিন্টু গোদাগাড়ীর সুলতানগঞ্জ পোর্টে কাস্টমস কার্যক্রম চালুকরণ বিষয়ে মতবিনিময় রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদকের দাদীর মৃত্যুতে শোক শিবগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে শীতকালীন শাক-সবজির বীজ বিতরণ রাসিক মেয়রের সাথে প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড কমান্ডারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ঐন্দ্রিলার মৃত্যুর কাছে হেরেছে সব্যসাচীর ভালোবাসা!

রিপোর্টারের নাম
  • সময় : রবিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২২
  • ১১ দেখেছেন

প্রসঙ্গ ডেস্ক: ভালোবাসা অবিনশ্বর-সর্বজয়ী হলেও ভারতীয় অভিনেতা সব্যসাচীর প্রেম আজ ঐন্দ্রিলার মৃত্যু কাছে পারাজিত হয়েছে! দীর্ঘ ১৯ দিন রোগের সঙ্গে লড়াই শেষে অনন্ত যাত্রার মিছিলে শামিল হয়েছেন ঐন্দ্রিলা শর্মা। প্রেমিকার প্রয়াণে ভেঙ্গে পড়েছেন সব্যসাচী।

গত ১ নভেম্বর ঐন্দ্রিলার ব্রেন স্ট্রোক হওয়ার পর থেকে তার পাশে সবসময় ছিলেন সব্যসাচী। হাওড়ার বেসরকারি হাসপাতালেই ছিলেন ঐন্দ্রিলা। শেষ পর্যন্ত আইসিইউতে ছিলেন। তার লড়াইকে ভালোবাসায় স্মরণ করছে, সেই সময় বলেছিলেন, ‘আমার মায়ের কিছু হলে বাবা যেটা করত, আমিও সেটাই করছি।’ তাকে আলাদা করে ক্রেডিট দেওয়ার দরকার নেই বলে জানিয়েছিলেন মহাপীঠ তারাপীঠ খ্যাত এ অভিনেতা।

বুধবার ঐন্দ্রিলা শর্মার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হওয়ার পর থেকেই বিমর্ষ হয়ে গিয়েছিলেন অভিনেতা সব্যসাচী। একটা একটা করে হার্ট বিট কমে যাচ্ছিল। আর তার বুক ভেঙে যাচ্ছিল অসহায়তায়। তবু শেষ পর্যন্ত লড়াই করে গিয়েছেন তিনি। কাছের বন্ধুর চোখ দুটো বড় হয়ে গিয়েছে। হাত অসাড়। মুখ, পা ফুলে যাচ্ছে।

এসব দেখে বেশিক্ষণ বসে থাকতে পারেননি তিনি। এমন সময় নাকি নড়ে উঠেছিল ঐন্দ্রিলার হাত। মায়ার টান উপেক্ষা করতে পারেননি সব্যসাচী। ছুটে গিয়েছিলেন উপরে। শেষ পর্যন্ত মিউজিক থেরাপি চালিয়ে গিয়েছেন নিজ উদ্যোগে। কিন্তু, শেষরক্ষা হয়নি।

শনিবার বিকেলে দ্বিতীয়বার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হওয়ার পর ফেসবুক থেকে ঐন্দ্রিলা শর্মা সম্পর্কিত যাবতীয় পোস্ট ডিলিট করে দেন সব্যসাচী চৌধুরী। এরপরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, ‘ঐন্দ্রিলা কি আর নেই?’ যদিও সেই সময় ছিলেন অভিনেত্রী।

সিপিআরসহ একাধিক সাপোর্ট দিয়ে তাকে রিভাইভ করা গিয়েছিল। রাতে ১০ বার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয় তার। শত চেষ্টা সত্ত্বেও আর ফেরানো সম্ভব হয়নি ঐন্দ্রিলাকে। সব্যসাচীকে সর্বহারা করে চলে গেলেন তিনি।

২০১৭ সালে কালার্স বাংলার ঝুমুর ধারাবাহিকের সেটে দেখা হয়েছিল দুই তারকার। ক্যান্সারকে হারিয়ে তখন সদ্য বিনোদনের জগতে পা রেখেছেন ঐন্দ্রিলা শর্মা। এই সিরিয়ালের হাত ধরেই অভিষেক করেন তিনি। সব্যসাচী ছিলেন তার বিপরীতে। দুই তারকার পর্দায় রসায়ন মুগ্ধ করেছিল দর্শককে। অফস্ক্রিন তাদের বন্ধুত্বও গাঢ় হয়ে উঠেছিল।

২০২১ সালে যখন ঐন্দ্রিলা শর্মা ফের ক্যান্সারে আক্রান্ত হলেন, সেই সময় তার হাত শক্ত করে ধরে রেখেছিলেন সব্যসাচী। গোটা লড়াইয়ে তার সহযোদ্ধা ছিলেন তিনি। বন্ধুকে খাইয়ে দিয়েছেন। গল্প পড়ে শুনিয়েছেন। ছোট ছোট ইচ্ছেগুলো পূরণ করেছেন। কঠিন মুহূর্তে তার অবলম্বন হয়ে উঠেছেন। যা দেখে অনেকেই প্রশ্ন করছেন, ‘এভাবেও ভালোবাসা যায়?’ মৃত্যু এবং ঐন্দ্রিলার মাঝে দেওয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন অভিনেতা। তবে মৃত্যুর কাছে এবার হারলো ভালোবাসা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার.....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর.....