সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন

বাঘায় আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী হাফ ডজন, চলছে গণসংযোগ

রিপোর্টারের নাম
  • সময় : বুধবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২২
  • ১৬ দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাঘা: আগামী ২৯ ডিসেম্বর রাজশাহীর বাঘা পৌরসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে তফসিল ঘোষনার পর থেকে মনোনয়ন ফরম উত্তোলন-সহ মোটর সাইকেল সোডাউন এবং পাড়া-মহল্লায় গণসংযোগ করছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রায় হাফ ডজন নেতা। এ দিক থেকে বসে নেই বিএনপি-জামাত।

তবে নির্বাচন করার ঘোষনা দিলেও এখন পর্যন্ত মাঠে নামেননি বাঘার কৃতিসন্তান ও রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আমানুল হাসান দুদু এবং উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল। তারা ধারনা করছেন, দলীয় মনোনয়ন পাবেন। এরপর গনসংযোগে নামবেন।

সরেজমিন ঘুরে লক্ষ্য করা গেছে, বাঘা পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে মেয়র পদে নির্বাচন করার লক্ষ্য উদ্দেশ্য নিয়ে ভোট চাওয়া সহ পাড়া-মহল্লায় গণসংযোগ করছেন সাবেক মেয়র আক্কাস আলী, পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মামুন হোসেন, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান পিন্টু ও উপজেলা মহিলা আলীগের সভানেত্রী ফাতেমা মাসুদ লতা। তারা প্রত্যেকেই দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আশা নিয়ে ইতোমধ্যে জেলা এবং কেদ্রীয় নেতাদের সাথে যোগাযোগ শুরু করেছেন। তবে নির্বাচন করার ঘোষনা দিলেও এখন পর্যন্ত মাঠে নামেননি হ্যাবি ওয়েটধারী বাঘার দুই নেতা আমানুল হাসান দুদু ও আশরাফুল ইসলাম বাবুল। তারা মনে করছেন, দল তাদের দু’জনের যে কাওকে দলীয় মনোনয়ন দিতে পারে। অত:পর দলীয় মনোনয়ন পেলে তারা গনসংযোগে নামবেন।

অপর দিকে বিএনপি থেকে কেন্দ্রীয় ভাবে নির্বাচন করার নির্দেশনা না থাকলেও ইতোমধ্যে মনোনয়ন উত্তোলন সহ প্রচারনায় নেমেছেন বাঘা বাজার বনিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও বাঘা পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন এবং পৌর জামাতের সভাপতি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। এদিক থেকে জামাত-বিএনপির ভোটে নির্বাচিত চলমান মেয়র মওলানা আব্দুর রাজ্জাক তাকেও এখন পর্যন্ত প্রচারনায় দেখা যায়নি। অনেকেই বলছেন, ওয়ার্ড বাড়ানোর প্রত্যয় নিয়ে এই নির্বাচনকে বন্ধ করার চেষ্টা চালাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক। তবে এ কথা সত্য নয় বলে দাবি করেন তিনি।

বাঘা পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মামুন হোসেন বলেন, আমি গত পৌর নির্বাচনে দলের হাইকমান্ডের নিকট দলীয় মনোনয়ন চেয়ে ছিলাম। কিন্ত আমাকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। সর্বশেষ এবারও চাইবো। এ লক্ষ্য নিয়ে প্রচারণায় নেমেছি। যদি তৃণমূলের জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে মনোনয়ন দেয়া হয়,তাহলে আমি শতভাগ আশা বাদি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবো।

অন্যদিকে শাহিনুর রহমান পিন্টু বলেন, আমি গত পৌর নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে ছিলাম। এরপর সকল কাউন্সিলরদের ভোটে প্যানেল মেয়র নির্বাচিত হয়। ঠিক তখন থেকে আমার মধ্যে এক ধরনের চ্যালেঞ্জ কাজ করে আসছে। তিনি বলেন, আমার ধর্ম মানবতা। আমি চলমান প্যানেল মেয়র। আমার উন্নয়ন দৃশ্যমান। আমি গত ৫ বছর কাওকে হয়রানি করিনি। আমার কাছে কেও কিছু চেয়ে ফিরে গেছে এ রকম নজির নেই। আমি পৌর মেয়র নির্বাচিত হলে জনসেবা সহ এলাকার উন্নয়ন করতে চাই। এ জন্য দলীয় মনোনয়ন চেয়েছি।

তবে বাঘার তৃণমুল আওয়ামীলীগ নেতা-কর্মীদের বক্তব্য, গত বছর যাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল তিনি পরাজিত হয়েছেন। এবার দলীয় মনোনয়ন খুব চিন্তা ভাবনা করে দিতে হবে। এবার যেনো কোন ভাবেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী পরাজিত না হয়। এ জন্য তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ স্থানীয় সাংসদ ও বর্তমান সরকারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার.....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর.....