সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ১১:০২ পূর্বাহ্ন

বিকল্প পথে সমাবেশে যাবেন বিএনপি কর্মীরা

রিপোর্টারের নাম
  • সময় : শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২২
  • ২২ দেখেছেন

প্রসঙ্গ ডেস্কঃ রংপুরে বিএনপির বিভাগীয় জনসমাবেশে দিনাজপুর থেকে ৬০ হাজার নেতা-কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত হতে পারেন। এর জন্য সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া আছে। গণপরিবহন বন্ধ হয়ে গেলে মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ অন্যান্য মাধ্যম, এমনকি হেঁটেও নেতা-কর্মীরা কর্মসূচিতে উপস্থিত হওয়ার চেষ্টা করবেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার দিনাজপুর জেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। ২৯ অক্টোবরের বিভাগীয় জনসমাবেশ সামনে রেখে জেল রোডের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনটি করা হয়।

অন্যদিকে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ বিএনপির নেতারা বলছেন, রংপুর জেলা মোটর মালিক সমিতির ডাকা পরিবহন ধর্মঘট বিভাগীয় গণসমাবেশে কোনো প্রভাব ফেলবে না। উপজেলার দলীয় নেতা-কর্মীরা বিকল্প উপায়ে সমাবেশস্থলে পৌঁছাবেন। সমাবেশ সফল করতে ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

কালীগঞ্জের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গণসমাবেশে উপজেলা থেকে ১৫ হাজার নেতা-কর্মী অংশ নেবেন। এ জন্য এক মাস ধরে উপজেলার প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে প্রচার, কর্মিসভা ও প্রস্তুতিসভা করেছে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলো। এখন সমাবেশে যাওয়ার জন্য কালীগঞ্জ থেকে কোনো বাস ভাড়া করা হয়নি। তবে এক হাজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, দুই হাজার মোটরসাইকেল ও বিপুলসংখ্যক বাইসাইকেল প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ভাড়া নিয়ে বিভিন্ন ওয়ার্ডে চাহিদা অনুযায়ী দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেলে করে নেতা-কর্মীরা সমাবেশে অংশ নেবেন।

আবুল কালাম আরও বলেন, কোনো বাধা নেতা-কর্মীদের ঠেকাতে পারবে না। গতকাল থেকেই তাঁরা রংপুরে যাওয়া শুরু করেছেন। আজ শুক্রবার রাতের মধ্যেই বেশির ভাগ নেতা-কর্মী সমাবেশস্থলে উপস্থিত হবেন।

দিনাজপুরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি। তিনি আগের তিনটি বিভাগীয় সম্মেলনে সরকারের বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে ধরেন।

বখতিয়ার বলেন, ‘চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও খুলনার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার উদ্দেশ্য ছিল গণসমাবেশে মানুষের ঢল যাতে না নামে। খুলনায় বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে সরকার মূলত সান্ধ্য আইন জারি করেছিল। সমাবেশকে বাধাগ্রস্ত করতে সরকারের নির্দেশে আন্তজেলা রুটের গণপরিবহন বন্ধ ছিল। এই ধর্মঘটে মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়ে।’
বখতিয়ার আহমেদ বলেন, সমাবেশে যাতে লোকসমাগম না হয়, তার সব চেষ্টাই করে যাচ্ছে সরকার। তবে আগের তিনটি সমাবেশে বাধা দিয়েও জনস্রোত আটকানো যায়নি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, রংপুরের গণসমাবেশে বাধা না দিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সমুন্নত রাখতে সরকার শুভবুদ্ধির পরিচয় দেবে।

রংপুরের বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে সংবাদ সম্মেলনে দিনাজপুর জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে সরকার, সাংবাদিক, প্রশাসনসহ সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন জেলা বিএনপির সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন দুলাল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি মো. মোকাররম হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম মুন্না, আনিসুর রহমান বাদশা, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আহমেদ, খালেকুজ্জামান বাবু, আখতারুজ্জামান জুয়েল, হাসানুজ্জামান উজ্জ্বল, মোস্তফা কামাল মিলন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মণ্ডল বকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাইয়ূম প্রমুখ।

সূত্রঃ আজকের পত্রিকা

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার.....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর.....