মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রাক্তন ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে সহকারী প্রক্টরের নেইমারকে ছাড়াই জয় ব্রাজিলের ‘বিএনপি উচ্ছৃঙ্খলতা করলে বরদাশত করা হবে না’- রাসিক মেয়র ছোট্ট স্বপ্নের গল্পপাঠের আসর ১১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতির পিতার মৃত্যুতে রাসিক মেয়রের শোক ঢাকা থেকে নৌকা নিয়ে বাঘায় পৌঁছে ফুলে ফুলে সিক্ত হলেন-পিন্টু গোদাগাড়ীর সুলতানগঞ্জ পোর্টে কাস্টমস কার্যক্রম চালুকরণ বিষয়ে মতবিনিময় রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদকের দাদীর মৃত্যুতে শোক শিবগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে শীতকালীন শাক-সবজির বীজ বিতরণ রাসিক মেয়রের সাথে প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড কমান্ডারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

খুলনার বাজারে পর্যাপ্ত রয়েছে শীতের সবজি, তবুও দাম চড়া

রিপোর্টারের নাম
  • সময় : শুক্রবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২২
  • ১৯ দেখেছেন

প্রসঙ্গ ডেস্কঃ গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে খুলনার বাজারে চিনির দাম কেজিতে ২৫ টাকা, দেশি মসুর ডাল কেজিতে ২০ টাকা ও খোলা সয়াবিন তেল লিটারে ১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু তাই নয়, শীতকালীন সবজি বাজারে পর্যাপ্ত থাকলেও দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে রয়েছে।

খুলনা মহানগরীর শেখপাড়া কাচা বাজারের বিক্রেতা সজিব বলেন, গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে খুলনার বাজারে চিনির দাম কেজিতে ২৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকায়। দেশি মসুর ডাল কেজিতে ২০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া খোলা সয়াবিন তেল লিটারে ১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়। অপরদিকে, শীতকালীন সবজি বাজারে উঠেছে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকলেও দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে রয়েছে। শীতকালীন সবজি শিম ১০০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, ফুলকপি ৮০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, বাঁধাকপি ৬০ টাকা, লাউ ৫০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা, লালশাক ৪০ টাকা, ঢেঁড়শ ৬০ টাকা, বেগুন ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে চালের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

শেখপাড়া কাচা বাজারের বিক্রেতা মো. হাকিম বলেন, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের কারণে সবজিখেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সরবরাহ কম রয়েছে। তাই বেশি দামে সবজি বিক্রি করতে হচ্ছে।

খাদ্যদ্রব্যের দাম এভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন মো. মনিরুজ্জামান নামে এক ব্যক্তি। তিনি বলেন, ‘নিত্যপণ্যের দাম প্রতিনিয়ত বাড়ছে, কিন্তু আয় বাড়ছে না। এতে আমার সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে আমি প্রশাসনের নজরদারি বৃদ্ধির দাবি জানাচ্ছি।’

এ বিষয়ে খুলনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মো. মোসাদ্দেক হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে সবজির তেমন ক্ষতি হয়নি। যতটুকু ক্ষতি হয়েছে তার জন্য পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কথা নয়। মূলত এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী পণ্যের দাম বৃদ্ধি করছেন।

জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা শাহরিয়া আকুঞ্জি বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় বিভিন্ন পণ্যের দাম বেশি রাখছেন। খাদ্যদ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে বাজারে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।

সূত্রঃ আজকের পত্রিকা

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার.....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর.....