সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন

জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী আখতারুজ্জামানের ইস্তেহার ঘোষণা 

রিপোর্টারের নাম
  • সময় : শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২২
  • ১৯২ দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আখতারুজ্জামান আখতার নির্বাচনী ইস্তেহার ঘোষণা করেছেন। শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় মহানগরে অবস্থিত রাইফেলস ক্লাবে এই নির্বাচনী ইস্তেহার করেন তিনি।

ইস্তেহারে তিনি বলেন, উপমহাদেশের প্রাচীনতম জেলা, ইতিহাসে বরেন্দ্রভূমি খ্যাত, হয়রত শাহখদুম (রহ.) এর পূন্যভূমি, জাতীয় নেতা শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামান ও শহীদ ড. শামসুজ্জোহার স্মৃতি বিজড়িত রাজশাহীর রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে বেড়ে উঠে মানবতা ও দেশের কল্যাণে সর্বদা নিজেকে নিবেদিত রেখেছেন। সেই অবস্থানকে আরও প্রসারিত করার প্রত্যয়ে আগামী ১৭ অক্টোবর ২০২২ অনুষ্ঠিতব্য রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে মোটরসাইকেল প্রতীকে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এই নির্বাচনে রাজশাহী জেলার নির্বাচিত স্থানীয় সরকারের সম্মানিত প্রতিনিধিগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হলে নিম্নে বর্ণিত ১০ দফা ইস্তেহার বাস্তবায়নে সচেষ্ট থাকার অঙ্গীকার করেন। নিম্নে তার বিবৃতি তুলে ধরা হলো-

১. রাজশাহীর ইতিহাস, ঐতিহ্যের সাথে মিল রেখে রাজশাহী জেলাতে প্রবেশের তিন দিকে তিনটি ‘প্রবেশ তোরণ’ নির্মাণ করবেন।

২. রাজশাহী জেলা পরিষদের অব্যবহৃত ভূমি জেলা তৃণমূলে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করে জনগণের কল্যাণে ব্যবহার করা হবে।

৩. রাজশাহীর ইতিহাস-ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ধারণ করে বর্তমান প্রজন্মের জন্য রাজশাহী জেলা পরিষদের অর্থায়নে একটি সংগ্রহশালা ও গ্রন্থাগার গড়ে তোলা হবে।

৪. ঐতিহাসিক স্থাপনা, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থান সংরক্ষণ ও উপজেলাভিত্তিক গ্রন্থাগার নির্মাণে রাজশাহী জেলা পরিষদের অর্থায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবো।

৫. রাজশাহীতে স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিদের জন্য রাজশাহী শহরে জেলা পরিষদের নিজস্ব জায়গাতে একটি আধুনিক আবাসিক বিশ্রামাগার নির্মাণ করবো। এখানে স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিগণ নামমাত্র মূল্যে ব্যবহার করতে পারবেন।

৬. জেলা পরিষদের উন্নয়নকাজে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মতামতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

৭. রাজশাহীর প্রত্যেকটি উপজেলায় ডাকবাংলো থাকলেও সেগুলো প্রায় অব্যবহৃত থাকায় জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। যা রাজশাহী জেলা পরিষদের সম্পদ। এই ডাকবাংলাগুলোর প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

৮. উন্নয়নের স্বার্থে করণীয় ঠিক করতে প্রতিবছর অন্তত দুই বার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় এর ব্যবস্থা করবো।

৯. রাজশাহী সীমান্তবর্তী এলাকার জনগণকে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন করা ও মাদক সেবনকে নিরুৎসাহিত করার জন্য জনগণ ও স্থানীয় প্রশাসনকে সাথে নিয়ে কাজ করবো।

১০. উপজেলা পর্যায়ে বাস স্ট্যান্ডগুলোতে যাত্রী ছাউনী, সুপেয় পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের সুব্যবস্থা করবো। জেলা পরিষদের এই নির্বাচনে বিজয়ী হলে আমার এই নির্বাচনী ইস্তেহারে প্রস্তাবিত অঙ্গিকারগুলো বাস্তবায়নে আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

সবশেষে তিনি জানান, দীর্ঘ দিনের স্থানীয় সরকারের কর্মকাণ্ডে জনসম্পৃক্ততা আছে সেই অভিজ্ঞতার ওপর বিশ্বাস রেখে তিনি প্রত্যাশা করেন। উপরোক্ত এই দশ দফা বাস্তবায়নে সম্মানিত ভোটারদের ভোটে তাকে বিজয়ী করবে বলে প্রত্যাশা করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার.....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর.....