সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন

প্রতীক পেয়েই প্রচারণার মাঠে জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও সদস্যরা

রিপোর্টারের নাম
  • সময় : সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩৮ দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ১৭ অক্টোবর সারাদেশের ন্যায় রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৪জন ও সাধারণ সদস্য পদে ৩৯জন এবং সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১৮জনসহ সর্বোমোট ৬১ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন।

সোমবার বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে থেকে মনোনীত প্রার্থী মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল প্রতীক পেয়েছেন কাপ পিরিচ, সতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ও দেওপাড়া ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান আখতার প্রতিকে পেয়েছেন মোটর সাইকেল সতন্ত্র প্রার্থী আফজাল হোসেন প্রতীক পেয়েছেন আনারস আরেক সতন্ত্র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার ইকবাল পেয়েছেন তালগাছ প্রতিক। প্রার্থীরা নিজে ও প্রতিনিধির মাধ্যমে এই প্রতীক গ্রহন করেন।

রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বেলা ১১টার দিকে প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রার্থীদের মদ্যে প্রতিক বরাদ্দ দেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার আব্দুল জলিল। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীর সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার আবুল হোসেন, পবা উপজেলা নির্বাচন অফিসার শহিদুল ইসলাল ও রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার।

এদিকে সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যরা প্রতীক পেয়েছেন টেবিল ঘুড়ি, ফুটবল, মাইক, লাটিম, দোয়াত কলম, বই ও হরিণসহ অন্যান্য। আর সাধারণ আসনের সদস্যরা প্রতীক পেয়েছেন তালা, উটপাখি, টিউবওয়েল, ঘুড়ি, বৈদ্যতিক ফ্যান ও হাতিসহ অন্যান্য প্রতিক। এছাড়াও মোহনপুর উপজেলা হতে সদস্য পদে দ্বিতীয় কোন প্রার্থী থাকায় দিলিপ কুমার সরকার বিনা প্রতিদন্দিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার আব্দুল জলিল বলেন, প্রতীক পাওয়ার পর থেকে প্রচারণার কাজ শুরু হয়ে গেল। কিন্তু নির্বাচনী বিধিনিষেধ সম্মলিত যে বই প্রদান করা হয়েছে সকল প্রার্থীকে তা মেনে প্রচার প্রচারণা এবং পোস্টার লিফলেট বানানোর আহ্বান জানান তিনি। এর কোন প্রকার ব্যত্যয় ঘটলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

উল্লেখ্য এবারের নির্বাচেন সদস্য প্রার্থীরা হলেন, ১ নং ওয়ার্ডে (গোদাগাড়ী, তানোর, পবা, সিটি কর্পোরেশন) সংরক্ষিত নারী সদস্য ৪জন। এরা হলেন, কৃষ্ণা দেবী, সাইদা ইয়াসমিন, রিতা বিবি ও শিউলী রানাী সাহা, ২ নং ওয়ার্ডে (মোহনপুর, বাগমারা, দুর্গাপুর) ৭জন। এরা হলেন, পারভিন বিবি, সুলতানা পারভীন, ফিরোজা খাতুন, রাবিয়া খাতুন, লালবানু, নারগীস বিবি ও নাছিমা বেগম, এবং ৩ নং ওয়ার্ডে (পুঠিয়া, চারঘাট, বাঘা) ৭জন। এরা হলেন ফারজানা ইয়াসমিন সাথী, ময়না খাতুন, সাজেদা বেগম. মুনজুরা বেগম, জয় জয়ন্তী সরকার, মর্জিনা বেগম ও লিপি খাতুন।

অপরদিকে, সাধারণ সদস্যের ১নং ওয়ার্ডে (গোদাগাড়ী) ৩জন। এরা হলেন, বদিউজ্জামান, আব্দুর রশিদ ও শামসুজ্জোহা, ২নং ওয়ার্ডে (তানোর) ৫জন। এরা হলেন, শরিফুল ইসলাম, উজ্জল হোসেন, গোলাম মোস্তফা, মাইনুল ইসলাম ও মৃদুল কুমার ঘোষ, ৩নং ওয়ার্ডে (পবা-সিটি) ৫জন। এরা হলেন, তফিকুল ইসলাম, এমদাদুল হক, হাফিজুল রহমান, নফিকুল ইসলাম ও মাহাবুব আলম খান।

এছাড়াও ৫নং ওয়ার্ড (দুর্গাপুর) ৬জন। এরা হলেন, আঃ সালাম, আবুল কালাম আজাদ, শাহাদত হোসেন, মোহাম্মদ গোলাপ হোসেন, শরিফুল ইসলাম ও রেজাইল করিম, ৬নং ওয়ার্ড (বাগমারা) ৫জন, এরা হলেন, আব্দুর রশিদ, মাহমুদুর রহমান, আবু জাফর প্রাং, বাবুল হোসেন ও শিরিনা পারভীন, ৭নং ওয়ার্ড (পুঠিয়া) ৫জন, এরা হলেন, শরিফুল ইসলাম টিপু, ফজলে রাব্বি মুরাদ, মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম, আঃ আজিজ ও আসাদুজ্জামান (মাসুদ), ৮নং ওয়ার্ড (চারঘাট) ৩জন। এরা হলেন, আলহাজ্ব শফিউল আলম, জনাব আলী ও সাকের আলী এবং ৯নং ওয়ার্ড (বাঘা)৬ জন। এরা হলেন, আফতাব হোসেন, আব্দুস ছালাম, আঃ মতিন, শাহীন আলম, হাফিজুর রহমান ও মহিদুল ইসলাম।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার.....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর.....