মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রাক্তন ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে সহকারী প্রক্টরের নেইমারকে ছাড়াই জয় ব্রাজিলের ‘বিএনপি উচ্ছৃঙ্খলতা করলে বরদাশত করা হবে না’- রাসিক মেয়র ছোট্ট স্বপ্নের গল্পপাঠের আসর ১১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতির পিতার মৃত্যুতে রাসিক মেয়রের শোক ঢাকা থেকে নৌকা নিয়ে বাঘায় পৌঁছে ফুলে ফুলে সিক্ত হলেন-পিন্টু গোদাগাড়ীর সুলতানগঞ্জ পোর্টে কাস্টমস কার্যক্রম চালুকরণ বিষয়ে মতবিনিময় রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদকের দাদীর মৃত্যুতে শোক শিবগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে শীতকালীন শাক-সবজির বীজ বিতরণ রাসিক মেয়রের সাথে প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড কমান্ডারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০২তম জন্মদিবস

রিপোর্টারের নাম
  • সময় : সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৪৬ দেখেছেন
প্রসঙ্গ ডেস্ক: আজ ২৬ সেপ্টেম্বর, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০২তম জন্মদিবস। শিক্ষার প্রকৃত অর্থ জ্ঞানলাভ তিনিই প্রথম মানুষকে শিখিয়েছেন। সমাজের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এই দিনে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। একাধারে তিনি ছিলেন বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক ও প্রাবন্ধিক।

বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকারের নাম বললেই প্রথমে চলে আসে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নাম। তিনি শুধু বাংলা ভাষা সাহিত্যেই নয়, দ্যুতি ছড়িয়েছেন একাধারে বেদান্ত শাস্ত্র, তর্ক ও জ্যোতির্বিজ্ঞানসহ নন্দনতাত্ত্বিক সমাজ গঠনেও।

ঘুণেধরা সমাজকে ঢেলে সাজানোর কান্ডারি ঈশ্বরচন্দ্র ছিলেন আধুনিক বাংলা ব্যাকরণের প্রবর্তক। ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর কলকাতার মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে তার জন্ম। তবে দরিদ্রতা তার শিক্ষালাভের আগ্রহকে কেড়ে নিতে পারেনি। শিক্ষার প্রতি প্রবল আগ্রহ থাকায় রাতে ঘরে আলো জ্বালানোর মতো সামর্থ্য না থাকলেও রাস্তায় লাইটের নিচে বসেই পড়ালেখা চালিয়েছেন তিনি।

এভাবেই গ্রামের পাঠশালা থেকে সংস্কৃত শেখার পর বাবার সঙ্গে চলে যান কলকাতায়। সেখানেও বিভিন্ন ভাষায় শিক্ষালাভে গভীর মনোযোগ দেন তিনি। যার ধারাবাহিকতায়  ১৮৩৯ সালে বাংলা, সংস্কৃতি ও ইংরেজি ভাষায় অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য সংস্কৃতি কলেজ থেকে তাকে দেয়া হয় সম্মানজনক ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি।

শিক্ষালাভের পাশাপাশি সমাজ সংস্কারেও বিশেষ অবদান রাখেন তিনি। তার অক্লান্ত পরিশ্রমেই নারীরা পেয়েছে তাদের পূর্ণ অধিকার, হিন্দু নারীরা পেয়েছেন মানুষ হয়ে বাঁচার প্রেরণা। কলুষিত সমাজকে নতুন করে ঢেলে সাজাতে সতীদাহ প্রথা উচ্ছেদ, বিধবা বিবাহ আইন পাসসহ অসংখ্য অবদান রয়েছে তার। হোমিওপ্যাথি শাস্ত্রেও পাণ্ডিত্য ছিল এই নিরহংকার ব্যক্তিটির। অবদান রেখেছেন বাংলা লিপি সংস্কারেরও।

তিনিই প্রথম বাংলায় যতিচিহ্নের প্রচলন ঘটিয়েছিলেন। বিবিসি বাংলার ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি কে?’ জরিপে শ্রোতাদের মনোনীত শীর্ষ বিশজন বাঙালির তালিকায় অষ্টম স্থানে রয়েছেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

বাঙালি সমাজে প্রগতিশীল সংস্কারের অগ্রদূত এই মহান সংস্কারকের জীবনাবসান ঘটেছিল ১৮৯১ সালে। তবে বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ঈশ্বরচন্দ্র স্মরণীয় হয়ে আছেন তার কাজের মাধ্যমেই। কালের স্রোতে তাই আজও সমাজদরদি এই মহাত্মা বেঁচে আছেন বাঙালি সমাজের মানুষের প্রতিটি অন্তরে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার.....

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর.....