শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৪:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় এশিয়ান বার্তার প্রতিনিধি সম্মেলন বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ রাজশাহী জেলা শাখার ১৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী দূর্গাপূজা উপলক্ষে রাজশাহীতে এমপি বাদশার আর্থিক অনুদান সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ: মাসুদ হোসেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের ৫ টি ইউনিটে নতুন কমিটি ঘোষণা  তানোরে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মতবিনিময় সভা শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাসিকের গঠিত কমিটির সভা অনুষ্ঠিত  এলআইইউপিসি প্রকল্পের সিটি লেভেল মাল্টিসেক্টরাল নিউট্রিশন কো-অর্ডিনেশন কমিটির সভা  রাসিক মেয়রের সাথে টেনিস বিজয়ী খেলোয়াড়দের সৌজন্য সাক্ষাৎ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বহুজাতিক কোম্পানিতে চাকুরীর দক্ষতা এবং ইতিবাচক মনোভাব বিষয়ক সেমিনার 

চীনা মুদ্রায় এলসি খোলার সুযোগ বাড়াল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

রিপোর্টারের নাম
  • সময় : শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১৯ দেখেছেন

প্রসঙ্গ ডেস্কঃ প্রচলিত বৈদেশিক মুদ্রার পাশাপাশি এখন থেকে চীনা মুদ্রা ইউয়ানে আমদানি দায় পরিশোধ করা যাবে। এজন্য বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে অনুমোদিত (এডি) ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে এই মুদ্রায় ক্লিয়ারিং অ্যাকাউন্ট খুলতে বলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনা ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক লেনদেন চীনা মুদ্রায় করার সুযোগ বাড়াতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ব্যাংকগুলো এখন থেকে চীনের মুদ্রা ইউয়ানে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে এবং তাদের বৈদেশিক শাখার মাধ্যমে আন্তঃসীমান্ত লেনদেন নিষ্পত্তি করতে পারবে। আগে শুধু অনুমোদিত ডিলাররাই বাংলাদেশ ব্যাংকে ফরেন কারেন্সি ক্লিয়ারিং অ্যাকাউন্ট খুলতে পারত। নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকেও তাদের বৈদেশিক শাখায় ইউয়ানে অ্যাকাউন্ট রেখে, লেনদেন নিষ্পত্তির সুযোগ করে দেওয়া হলো।

বর্তমানে দেশের বেশির ভাগ ব্যাংকের ‘নস্ট্রো’ অ্যাকাউন্ট রয়েছে। বিদেশি ব্যাংকে এ ধরনের অ্যাকাউন্ট বৈদেশিক মুদ্রায় খোলা হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই যা মার্কিন ডলারে করা হয়। বিশ্বব্যাপী কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো যখন তাদের রিজার্ভে ইউয়ানের পরিমাণ বাড়াচ্ছে তখনই দেশের ব্যাংকিং খাতকে এ সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, ডলার ও ইউরোর বাইরে অন্য কোনো মুদ্রায় খুব একটা এলসি হয় না। যদিও ২০১৮ সাল থেকে এ ধরনের সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ইউএস ডলার, যুক্তরাজ্যের পাউন্ড, ইউরোপিয়ান দেশগুলোর মুদ্রা ইউরো, জাপানি ইয়েন এবং কানাডিয়ান ডলার—এ  ধরনের মুদ্রার বিপরীতে আমদানি দায় পরিশোধ করা যায়।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশে বিভিন্ন পণ্য আমদানি বেড়েছে। ডলারে আমদানি ব্যয় পরিশোধ করলে বিনিময়জনিত একটা লোকসান হতো। এ মুদ্রা বিনিময়জনিত লোকসান তুলনামূলক কম হবে। এর পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রেও চীনা মুদ্রার দুয়ার খোলা থাকবে। ফলে সুবিধামতো যে কেউ চাইলে চীনা মুদ্রায় এলসি খুলতে পারবেন।

ইত্তেফাক

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার.....

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো খবর.....