মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৮:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শারদীয় দূর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ছাত্রলীগের গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক তূর্য চারঘাটে নিজ গায়ে আগুন লাগিয়ে বৃদ্ধার আত্মহত্যা রাজশাহীতে চলন্ত বাসে ঢুকে গেল বিদ্যুতের খুঁটি নগরায়নের নয়া মহামারি ‘শব্দদূষণ’ রোধের দাবি তরুণদের আরইউজে সম্পাদকের ওপর হামলায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার জেলা শাখার নিন্দা বানেশ্বরে নাদের আলী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও সভাপতির হাতাহাতি ওয়ালটনের কল সেন্টারে চাকরির সুযোগ রাজশাহীর শ্রেষ্ঠ ইউএনও দুর্গাপুরের সোহেল রানা পুঠিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন: সভাপতি আরিফ, সম্পাদক রুবেল তানোরে রংতুলির কাজ শেষ, থানে তোলার অপেক্ষায় প্রতিমা 

রাজধানীতে দীর্ঘ হচ্ছে নিখোঁজের তালিকা

রিপোর্টারের নাম
  • সময় : সোমবার, ২২ আগস্ট, ২০২২
  • ৩৩ দেখেছেন

প্রসঙ্গ ডেস্কঃ পাঁচ দিন আগে অফিসে গিয়ে আর ফেরেননি মিরপুরের সোহেল। প্রায় এক মাসেও হদিস নেই উত্তরা থেকে নিখোঁজ যুবক নীরবের। সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজের শিক্ষার্থী নিখোঁজ প্রায় দুই মাস ধরে।

গত বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) অফিসে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হন মিরপুরের সোহেল। তার পর থেকেই খোঁজ মিলছে না। সোহেল মিরপুরেই কোকাকোলা কোম্পানির একটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন। বাবা-মায়ের দাবি, প্রতিষ্ঠানটির মালিক ছেলেকে জিম্মি করে রেখেছে।

নিখোঁজ সোহেলের মা বলেন, ‘আমার ছেলে হেড অফিসে ছয় লাখ টাকা জমা দিতে গিয়েছিল। কিন্তু হেড অফিসে না গিয়ে সে নিখোঁজ হয়ে যায়। এটা মালিক আমাকে জানিয়েছেন। আমার ছেলের কোনো খোঁজ পাচ্ছি না। তাকে আপনারা উদ্ধার করে দেন।’ দুই সন্তান নিয়ে বিপাকে সোহেলের স্ত্রী ও দুই সন্তান। তার স্ত্রী বলেন, ‘আমার স্বামী কিছু দিন ধরে চুপচাপ থাকতেন। কারো সঙ্গে বেশি কথাও বলতেন না।’
তবে উল্টো দাবি মালিকের। ১৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে রাজধানীর পল্লবী থানায় তিনি একটি মামলা করেছেন সোহেলের বিরুদ্ধে।

কোকাকোলার ডিস্ট্রিবিউটর মুহতাসিম রহমান তামিম বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছে সোহেল পরিকল্পিতভাবে এটা করেছেন। তিনিই এই টাকা সরিয়েছেন।  ইচ্ছা করেই তিনি আমার টাকা চুরি করে পালিয়ে আছেন। আমি চুরির মামলা করেছি।’ এদিকে, চলতি মাসের ৮ তারিখে রাজধানীর উত্তরার রানাভোলার নিজ বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি ২০ বছরের তরুণ মোশতাক হোসেন নীরব। এক বন্ধুর কাছে নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও রেখে গেছেন। নীরবের বাবা বলেন, ‘সাড়ে ৫টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে যায় আমার ছেলে। প্রতিদিনই এই সময়ে বন্ধুদের সঙ্গে সে বের হতো। আবার রাত ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে বাসায় ফিরে আসত। কিন্তু ৮ তারিখ বাসা থেকে বের হওয়ার পর আমার ছেলে আর ফেরেনি।’

পুলিশ বলছে, প্রতিটি ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। নিখোঁজদের উদ্ধারে কাজ করছেন তারা। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফারুক হোসেন বলেন, ‘যারা নিখোঁজ হয়েছেন, তারা কেন নিখোঁজ হয়েছেন–সেই বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। আমরা প্রযুক্তির সহায়তায় অনেকের অবস্থান শনাক্ত করে উদ্ধার করেছি। বর্তমানে নিখোঁজদেরও উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।’ এর আগে ২৩ জুন সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজের শিক্ষার্থী ইয়াশা মৃধা সুকন্যা নিখোঁজ হয়। এখনও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

সূত্রঃ সময় নিউজ

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার.....

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো খবর.....