শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় এশিয়ান বার্তার প্রতিনিধি সম্মেলন বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ রাজশাহী জেলা শাখার ১৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী দূর্গাপূজা উপলক্ষে রাজশাহীতে এমপি বাদশার আর্থিক অনুদান সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ: মাসুদ হোসেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের ৫ টি ইউনিটে নতুন কমিটি ঘোষণা  তানোরে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মতবিনিময় সভা শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাসিকের গঠিত কমিটির সভা অনুষ্ঠিত  এলআইইউপিসি প্রকল্পের সিটি লেভেল মাল্টিসেক্টরাল নিউট্রিশন কো-অর্ডিনেশন কমিটির সভা  রাসিক মেয়রের সাথে টেনিস বিজয়ী খেলোয়াড়দের সৌজন্য সাক্ষাৎ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বহুজাতিক কোম্পানিতে চাকুরীর দক্ষতা এবং ইতিবাচক মনোভাব বিষয়ক সেমিনার 

কুমিল্লায় আ. লীগের দুই গ্রুপে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

রিপোর্টারের নাম
  • সময় : সোমবার, ২২ আগস্ট, ২০২২
  • ২৭ দেখেছেন

প্রসঙ্গ ডেস্কঃ কুমিল্লায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২১ আগস্ট) দুপুরে নগরীর ধর্মপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় একটি মোটরসাইকেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়।

২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার ১৮ বর্ষপূর্তিতে কুমিল্লা নগরীর টাউনহলে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে মহানগর আওয়ামী লীগ। এতে প্রধান অতিথি করা হয় কুমিল্লা সদরের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহারকে।

এদিন সমাবেশে যোগ দিতে যাওয়ার পথে দূর্গাপুর ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশারকে গতিরোধ করে মারধর করেন ইউপি মেম্বার আবদুল হান্নান সোহেল। এ সময় দুই গ্রুপের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় যুবলীগকর্মী শহিদুল ইসলাম চপল বলেন, ইউপি মেম্বার সোহেল সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক গ্রুপের লোক। ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে হাজী বাহার এমপির টাউন হলে ডাকা গণজমায়েত ও বিক্ষোভ মিছিলে আসার পথে ওর্য়াড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসারের ওপর হামলা করেন ইউপি মেম্বার সোহেল। খবর পেয়ে আমাদের কর্মীরা ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়। বিক্ষুব্ধ কর্মীরা তার মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয়।

ইউপি সদস্য আবদুল হান্নান সোহেল বলেন, আমি আমার বন্ধু রাসেলের মোটরসাইকেলে করে জনসমাবেশে যাচ্ছিলাম। পথে আবুল বাশার ও তার লোকজন পেছন থেকে আমার ওপর গুলিবর্ষণ করে।  আমরা পালিয়ে যাই। পরে তারা আমাদের মোটরসাইকেলটি পুড়িয়ে দেয়।

কেন এমনটা করা হলো-এ প্রশ্নের জবাবে ইউপি সদস্য আবদুল হান্নান বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে তারা। আমি রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের অনুসারী না। আমি বাহাউদ্দিন বাহার ভাইয়ের কর্মী। আমি বাহার ভাইয়ের রাজনীতি করতে গিয়ে গুলিও খেয়েছি। কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক আছে।

সূত্রঃ সময় নিউজ

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার.....

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো খবর.....