শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় এশিয়ান বার্তার প্রতিনিধি সম্মেলন বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ রাজশাহী জেলা শাখার ১৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী দূর্গাপূজা উপলক্ষে রাজশাহীতে এমপি বাদশার আর্থিক অনুদান সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ: মাসুদ হোসেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের ৫ টি ইউনিটে নতুন কমিটি ঘোষণা  তানোরে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মতবিনিময় সভা শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাসিকের গঠিত কমিটির সভা অনুষ্ঠিত  এলআইইউপিসি প্রকল্পের সিটি লেভেল মাল্টিসেক্টরাল নিউট্রিশন কো-অর্ডিনেশন কমিটির সভা  রাসিক মেয়রের সাথে টেনিস বিজয়ী খেলোয়াড়দের সৌজন্য সাক্ষাৎ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বহুজাতিক কোম্পানিতে চাকুরীর দক্ষতা এবং ইতিবাচক মনোভাব বিষয়ক সেমিনার 

৭৫০ টাকার সার দেড় হাজার টাকায়ও মিলছে না

রিপোর্টারের নাম
  • সময় : রবিবার, ২১ আগস্ট, ২০২২
  • ৩৮ দেখেছেন

প্রসঙ্গ ডেস্কঃ দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে সারের বাজারে নৈরাজ্য! মূল্যবৃদ্ধির খবরে বাজারে শুরু হয়েছে কৃত্রিম সংকট। সাড়ে ৭৫০ টাকার পটাশ (এমওপি) সার কিনতে হচ্ছে দেড় হাজার টাকায়। আবার বেশি দামেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সার। এতে আমন আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। শঙ্কা দেখা দিয়েছে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে।

উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, উপজেলায় ১০ জন বিসিআইসি ডিলারের কাছে গত শনিবার (২০ আগস্ট) পর্যন্ত সার মজুত আছে ইউরিয়া ৩৬৭ মেট্রিক টন, পটাশ (এমওপি) ৩০ মেট্রিক টন, ফসপেট (টিএসপি) ১৭৭ মেট্রিক টন ও ডিএপি ৬৮৭ মেট্রিক টন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংশ্লিষ্ট বিভাগের এক কর্মকর্তা এমওপি সারের সংকটসহ দাম বৃদ্ধির কথা স্বীকার করেন। উপজেলায় আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ হাজার ১৯০ হেক্টর জমিতে। ইতোমধ্যেই উপজেলার ৮০ শতাংশ জমিতে আমন রোপণ কাজ শেষ হয়েছে।

পাঠকপাড়া গ্রামের কৃষক ছাইদুল ইসলামের অভিযোগ, ৭৫০ টাকার পটাশ (এমওপি) সার বাজারে এক হাজার ৪০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিলারের ঘরে গিয়েও পটাশ (এমওপি) সার পাওয়া যাচ্ছে না।

শ্রীরামপুর গ্রামের যোহান হেম্ব্রম বলেন, আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে বৃষ্টির দেখা মেলেনি। চারা রোপণের সময়ও প্রায় শেষ। তাই বাধ্য হয়ে বাড়তি দামে জ্বালানি কিনে সেচ দিয়ে আমন চারা রোপণ করতে হচ্ছে। এমন সময় বাড়ানো হয়েছে সারের দাম। বেশি দাম দিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না পটাশ (এমওপি) সার। এত খরচ করে আবাদ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়েও দুশ্চিন্তা রয়েছে।

বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, খুচরা পর্যায়ে ইউরিয়া ও টিএসপি এক হাজার ১০০ টাকার স্থলে এক হাজার ২০০, ডিএপি ৮০০ টাকার স্থলে ৯০০ এবং পটাশ (এমওপি) ৭৫০ টাকার স্থলে এক হাজার ৪০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

সার ডিলার খোরশেদুল আলম লালু বলেন, আমার বরাদ্দের পটাশ (এমওপি) সার বিক্রি হয়ে গেছে। বাজারে দাম বেশি, তাই ঘরে কোনো সার নেই। চাহিদানুযায়ী পটাশ সার সরবরাহ না পাওয়ায় বাজারে কিছুটা সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুম্মান আক্তার বলেন, পটাশ (এমওপি) সারের তেমন সংকট নেই, তবে অতিরিক্ত বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। সেটি পাওয়া গেলে চাহিদা পূরণ হবে। সারের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হবে। সত্যতা পাওয়া গেলে ডিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্রঃ ইত্তেফাক

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার.....

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো খবর.....