শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় এশিয়ান বার্তার প্রতিনিধি সম্মেলন বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ রাজশাহী জেলা শাখার ১৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী দূর্গাপূজা উপলক্ষে রাজশাহীতে এমপি বাদশার আর্থিক অনুদান সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ: মাসুদ হোসেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের ৫ টি ইউনিটে নতুন কমিটি ঘোষণা  তানোরে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মতবিনিময় সভা শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাসিকের গঠিত কমিটির সভা অনুষ্ঠিত  এলআইইউপিসি প্রকল্পের সিটি লেভেল মাল্টিসেক্টরাল নিউট্রিশন কো-অর্ডিনেশন কমিটির সভা  রাসিক মেয়রের সাথে টেনিস বিজয়ী খেলোয়াড়দের সৌজন্য সাক্ষাৎ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বহুজাতিক কোম্পানিতে চাকুরীর দক্ষতা এবং ইতিবাচক মনোভাব বিষয়ক সেমিনার 

চট্টগ্রাম মেডিক্যালে বহিরাগত লোক দিয়ে চলে সেবা কার্যক্রম

রিপোর্টারের নাম
  • সময় : বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০২২
  • ২২ দেখেছেন

প্রসঙ্গ ডেস্কঃ চট্টগ্রাম মেডিক্যালে সেবা কার্যক্রম চলছে আউটসোর্সিংয়ের নিয়োজিত লোক ও বেতনবিহীন বিশেষ আয়ার মাধ্যমে। মেডিক্যালে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর সংকট রয়েছে। দীর্ঘদিন যাবত সরকারিভাবে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। স্থায়ী জনবলের অনুমোদিত পদে অধিকাংশই খালি। বহিরাগত লোক দিয়ে সেবা পরিচালনা করতে গিয়ে হাসপাতালে নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটছে। ওয়ার্ড থেকে সরকারি ওষুধ ও রোগীর জিনিসপত্র চুরি হয়ে যাচ্ছে। আর বিশেষ আয়ার নামে বহিরাগত লোকরা রোগীদের কাছ থেকে চাহিদা অনুপাতে টাকা আদায় করছে।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল ১৩৫০ শয্যার হলেও প্রতিদিন ৩ হাজারের কাছাকাছি রোগী ভর্তি তাকে। এর বাইরে বহির্বিভাগগুলোতে প্রতিদিন ৪ হাজারের মতো রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। ফলে চিকিৎসাধীন রোগী ও তাদের স্বজন মিলিয়ে কয়েক হাজার মানুষ মেডিক্যালে আসেন। হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বাড়লেও সেই অনুপাতে সেবা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর সংখ্যা বাড়েনি। নিয়োগ বন্ধ থাকায় খালি পদেও লোক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। রোগী বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালের কার্যক্রমও বেড়েছে। কিন্তু হাসপাতালের ওয়ার্ড, রোগী আনা নেওয়া, টয়লেট পরিষ্কার, হাসপাতাল এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখা, নৈশপ্রহরী ও দারোয়ানের কাজ করার পর্যাপ্ত জনবল নেই।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, বর্তমানে চতুর্থ শ্রেণির অনুমোদিত ৪৯৭টি পদের মধ্যে ৩১২ জন কর্মরত রয়েছেন। আর খালি রয়েছে ১৮৫টি পদ। অনেকেই অবসরে চলে যাচ্ছেন। কিন্তু শূন্য পদ পূরণ হচ্ছে না। সংশ্লিষ্টরা জানান, রোগীর চাপ অনুসারে অনুমোদিত পদের চেয়ে দ্বিগুণ জনবলের প্রয়োজন। কিন্তু অনুমোদিত পদেও লোক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। এতে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও রোগীর সেবা পরিচালনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। হাসপাতালের ওয়ার্ডে ও বহির্বিভাগের অধিকাংশ টয়লেট ময়লা-আবর্জনায় ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। টয়লেটে পানি থাকে না। পানি না থাকায় ব্যবহারও হচ্ছে না।

জরুরি বিভাগ থেকে রোগীদের নির্দিষ্ট ওয়ার্ডে নিয়ে যেতে হয়। আবার এক ওয়ার্ড থেকে অন্য ওয়ার্ডে রোগীকে স্থানান্তর করতে হয়। রোগীর পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য ল্যাবে নিয়ে যেতে হয়। রোগীর ফাইল নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যেতে হয়। এসব কাজ করার হাসপাতালে স্থায়ী কোনো লোক নেই। ওয়ার্ডগুলোতে ‘বিশেষ আয়া’ নামক বহিরাগতদের দাপটে রোগী ও তাদের স্বজনরা মাঝে মাঝে অসহায় হয়ে পড়ে। তাদের দাবি অনুযায়ী টাকা না দিলে দুর্ব্যবহারের শিকারও হতে হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, এখন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল ২২০০ শয্যার অনুমোদন পেয়েছে। সেই হিসাবে জনবলের নিয়োগের জন্য প্রক্রিয়া চলছে। চমেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. অং সু ফ্রো ইত্তেফাককে বলেন, ‘জনবলের সংকটের কারণে বাধ্য হয়ে বিশেষ আয়া ও আউটসোর্সিংয়ে লোক দিয়ে সেবা কার্যক্রম করতে হচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে এদের বিরুদ্ধে অভিযোগও আসে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা তাদের বাদ দিয়ে দিই। পর্যায়ক্রমে এসব লোককে বাদ দেওয়া হচ্ছে।’

সূত্রঃ ইত্তেফাক

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার.....

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো খবর.....