মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শারদীয় দূর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ছাত্রলীগের গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক তূর্য চারঘাটে নিজ গায়ে আগুন লাগিয়ে বৃদ্ধার আত্মহত্যা রাজশাহীতে চলন্ত বাসে ঢুকে গেল বিদ্যুতের খুঁটি নগরায়নের নয়া মহামারি ‘শব্দদূষণ’ রোধের দাবি তরুণদের আরইউজে সম্পাদকের ওপর হামলায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার জেলা শাখার নিন্দা বানেশ্বরে নাদের আলী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও সভাপতির হাতাহাতি ওয়ালটনের কল সেন্টারে চাকরির সুযোগ রাজশাহীর শ্রেষ্ঠ ইউএনও দুর্গাপুরের সোহেল রানা পুঠিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন: সভাপতি আরিফ, সম্পাদক রুবেল তানোরে রংতুলির কাজ শেষ, থানে তোলার অপেক্ষায় প্রতিমা 

পারমাণবিক যুদ্ধ হলে না খেয়েই মারা যাবে ৫০০ কোটি মানুষ!

রিপোর্টারের নাম
  • সময় : মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০২২
  • ২১ দেখেছেন

প্রসঙ্গ ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে পারমাণবিক যুদ্ধ বাঁধলে বিশ্বের ৫০০ কোটিরও বেশি মানুষ না খেয়ে মারা যাবে। সোমবার (১৫ আগস্ট) প্রকাশিত নেচার ফুড জার্নালের একটি সমীক্ষায় এ আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে। খবর আরটির।সমীক্ষা অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া পারমাণবিক যুদ্ধে জড়ালে এর ফলস্বরূপ ছাই ও কালি বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে সূর্যের আলো আটকাবে। এতে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং অনাহারে ৫০০ কোটিরও বেশি মানুষ মারা যাবে।

যদিও পারমাণবিক যুদ্ধ নিয়ে বেশিরভাগ জল্পনা-কল্পনা বোমা হামলার ভয়াবহতা থেকে এসেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রুটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের দিয়ে পরিচালিত এ গবেষণায় দেখা যায়, প্রকৃত দুর্ভোগ আসবে সংঘাতের পরের বছরগুলোতে, যখন সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে পড়বে এবং স্থানীয় অবকাঠামো ধ্বংস ও খাদ্যশস্য উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হবে।

পারমাণবিক যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের মতো প্রধান উৎপাদকদের খাদ্য সরবরাহের সক্ষমতা ৯০ শতাংশ হ্রাস পাবে। এর ফলে পারমাণবিক যুদ্ধের সঙ্গে জড়িত নয়, এমন দেশগুলোও মানবিক বিপর্যয়ে পড়বে।ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া- এ দুই প্রধান রফতানিকারক দেশের খাদ্য উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে। যদি পারমাণবিক যুদ্ধের প্রভাবে তারা পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত নাও হয়, তবে আমদানি নির্ভরশীল দেশগুলো পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।

জলবায়ু বিজ্ঞানের অধ্যাপক ও সমীক্ষাটির সহ-লেখক অ্যালান রোবক বলেছেন, তথ্যগুলো আমাদের একটি বার্তাই দিচ্ছে, তা হলো- যে কোনো মূল্যে অবশ্যই পারমাণবিক যুদ্ধ ঠেকাতে হবে। তা ঘটতে দেয়া যাবে না।

এর আগে ১৮১৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার মাউন্ট তামবোরা এবং ১৭৮৩ সালে আইসল্যান্ডের লাকির মতো বড় আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পরে বায়ুমণ্ডলে ছাই প্রবেশে জলবায়ুতে মারাত্মক পরিবর্তন আসে। যার ফলে দুর্ভিক্ষ এবং রাজনৈতিক উত্থান ঘটেছিল।

প্রকৃতপক্ষে, এ জলবায়ু বিজ্ঞানী উদ্বিগ্ন যে, বায়ুমণ্ডলকে বিষাক্ত কণা দিয়ে ভরাট করলে অপ্রত্যাশিত ফলাফল হতে পারে এবং এটি পৃথিবীকে আরও জলবায়ু সংক্রান্ত অস্থিতিশীলতার দিকে নিয়ে যেতে পারে।

সূত্রঃ সময় নিউজ

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার.....

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো খবর.....