মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শারদীয় দূর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ছাত্রলীগের গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক তূর্য চারঘাটে নিজ গায়ে আগুন লাগিয়ে বৃদ্ধার আত্মহত্যা রাজশাহীতে চলন্ত বাসে ঢুকে গেল বিদ্যুতের খুঁটি নগরায়নের নয়া মহামারি ‘শব্দদূষণ’ রোধের দাবি তরুণদের আরইউজে সম্পাদকের ওপর হামলায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার জেলা শাখার নিন্দা বানেশ্বরে নাদের আলী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও সভাপতির হাতাহাতি ওয়ালটনের কল সেন্টারে চাকরির সুযোগ রাজশাহীর শ্রেষ্ঠ ইউএনও দুর্গাপুরের সোহেল রানা পুঠিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন: সভাপতি আরিফ, সম্পাদক রুবেল তানোরে রংতুলির কাজ শেষ, থানে তোলার অপেক্ষায় প্রতিমা 

কলেজছাত্রকে বিয়ে করা সেই শিক্ষিকার লাশ উদ্ধার

রিপোর্টারের নাম
  • সময় : রবিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২২
  • ৩৮ দেখেছেন

প্রসঙ্গ ডেস্কঃ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রেমের সম্পর্কের পর ছাত্রের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া সেই কলেজ শিক্ষিকা মোছা. খাইরুন নাহার (৪০) আত্মহত্যা করেছেন। খাইরুন নাহার নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক। তিনি মাত্র ছয় মাস আগে মামুন (২২) নামে ওই কলেজছাত্রকে বিয়ে করেছিলেন।

রোববার (১৪ আগস্ট) ভোররাতে গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনায় কলেজ শিক্ষিকার স্বামী মামুনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাত তিনটার দিকে মামুন প্রতিবেশীদের ডেকে আনেন যে, তার স্ত্রী খায়রুন নাহার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। প্রতিবেশীরা তার ঘরে গিয়ে দেখতে পায় খায়রুন নাহরের নিথর দেহ ঘরের মেঝেতে শোয়ানো। এতে তাদের সন্দেহ হলে মামুনকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয় তারা।

নাটোর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর পরিদর্শক শাহাদাত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া মামুনকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

জানা যায়, উপজেলার খুবজীপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক খাইরুন নাহার। প্রথমে বিয়ে করেছিলেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলায়। প্রথম স্বামীর একজন সন্তানও ছিল। পারিবারিক কলহে সংসার বেশিদিন টিকিয়ে রাখতে পারেননি। তারপর কেটে যায় অনেক দিন। একপর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) পরিচয় হয় ২২ বছরের যুবক মামুনের সঙ্গে। মামুনের বাড়ি একই উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের পাটপাড়া গ্রামে। নাটোর এন এস সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

ফেসবুক মেসেঞ্জারে প্রথমে পরিচয়, তারপর গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। ২০২১ সালের ২৪ জুন তাদের প্রথম পরিচয়। তারপর ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বর তারা দুজন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ১৩ মাসের সম্পর্কে রয়েছে ভালোবাসার গভীরতা। আর এই গভীরতা থেকেই বিয়ে করেন তারা। ছয় মাস আগে বিয়ে করলেও সেটি আত্মগোপনেই ছিল। সপ্তাহখানেক আগে বিয়ের খবরটি ছড়িয়ে পড়ে।

খাইরুন নাহার জানান, প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন তিনি। প্রতিটা দিন প্রতিটা ক্ষণ তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়তে থাকেন। আত্মহত্যা করারও সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ঠিক সেই সময় ফেসবুকে পরিচয় হয় মামুনের সঙ্গে। মামুন তার খারাপ সময়ে পাশে থেকে উৎসাহ দিয়েছেন এবং নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখান। মামুন তাকে মনপ্রাণ দিয়ে ভালোবাসেন। আর সেই ভালোবাসা থেকেই দুজনের সিদ্ধান্তে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে এই বিয়ে মামুনের পরিবার মেনে নিলেও খায়রুনের পরিবার মেনে নেয়নি। তিনি আজীবন মামুনের সঙ্গে সংসার করে যেতে চান।

মামুন বলেন, মন্তব্য কখনো গন্তব্য ঠেকাতে পারে না। কে কি বলল, সেগুলো মাথায় না নিয়ে নিজেদের মতো সংসার গুছিয়ে নিয়ে জীবন শুরু করেছি। সেই সময় সবার কাছে দোয়া চেয়েছিলেন মামুন।

সূত্রঃ সময় নিউজ

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার.....

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো খবর.....