শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় এশিয়ান বার্তার প্রতিনিধি সম্মেলন বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ রাজশাহী জেলা শাখার ১৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী দূর্গাপূজা উপলক্ষে রাজশাহীতে এমপি বাদশার আর্থিক অনুদান সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ: মাসুদ হোসেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের ৫ টি ইউনিটে নতুন কমিটি ঘোষণা  তানোরে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মতবিনিময় সভা শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাসিকের গঠিত কমিটির সভা অনুষ্ঠিত  এলআইইউপিসি প্রকল্পের সিটি লেভেল মাল্টিসেক্টরাল নিউট্রিশন কো-অর্ডিনেশন কমিটির সভা  রাসিক মেয়রের সাথে টেনিস বিজয়ী খেলোয়াড়দের সৌজন্য সাক্ষাৎ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বহুজাতিক কোম্পানিতে চাকুরীর দক্ষতা এবং ইতিবাচক মনোভাব বিষয়ক সেমিনার 

রাজশাহীতে ৩০০ টাকা কেজি কাঁচামরিচ

রিপোর্টারের নাম
  • সময় : শনিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২২
  • ৩১ দেখেছেন

সজল মাহমুদ : নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য গুলোর সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম। দামের ঊর্ধ্বগতিতে নাভিশ্বাস উঠছে খুচরা বাজারের ক্রেতাদের। বাজার ঘুরে দেখা যায় বর্তমানে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ২৬০-৩০০ টাকা দরে। এই অবস্থায় যাদের কাঁচা মরিচ খুব বেশি প্রয়োজন তারা কিনছেন, তবে পরিমাণে অল্প। যাদের প্রয়োজন কম, তারা বাজার থেকে খালি হাতেই ফিরে যাচ্ছেন।

এ বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সেই পুরোনো বক্তব্য- ‘পাইকারি বাজারে দাম বেশি’। তবে নতুন বক্তব্য যোগ হয়েছে তেলের দাম বাড়ার কারণে সকল পণ্যের দাম বেশি। রাজশাহীর সাহেব বাজারে বেশ কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গতকাল ১৩ আগষ্ট (শুক্রবার) ভালো মানের এক কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৬০-৩০০ টাকা। কালচে রংয়ের (একটু নিম্নমানের) কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকা কেজি দরে।

গত সপ্তাহেও এই কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ১৮০-২০০ টাকা কেজি দরে। দাম বৃদ্ধির বিষয়ে আড়ৎদাররা বলছেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন খরচ বেড়েছে। একই সঙ্গে মহরমের ছুটির কারণে মরিচ আমদানি কমেছে। তাই দাম আরেক দফা বেড়েছে। সাহেব বাজারের কাঁচা বাজার থেকে ২৫০ গ্রাম কাঁচা মরিচ কিনেছেন হাসান আলি। দাম পড়ছে ৭০ টাকা। জানতে চাইলে তিনি বলেন, দুদিন আগে মরিচ কিনতে এসেছিলাম। দাম বেশি শুনে ওইদিন চলে যাই। আজ স্ত্রীর কথায় আবার মরিচ কিনতে আসলাম। দোকানদার বলল, কেজি ৩০০ টাকা। উপায় না পেয়ে ১ পোয়া কিনেছি। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, জীবনে মরিচের এত দাম দেখিনি। এত দামে মরিচও কিনিনি। ব্যবসায়ী ওমর ফারুক বলেন, স্যার আমাদের কিছু করার নাই। আমরা বেশি টাকায় মাল কিনেছি, তাই বেশি টাকায় মাল বিক্রি করছি। ২৫০ টাকায় কিনে ২৮০ টাকায় বিক্রি করছি। আমরা কি করবো বলেন? তিনি আরো বলেন, আড়ৎদাররা বলল গতকাল মাল আসেনি।

বাজারে মরিচ কম। সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে। একই বাজারের ব্যবসায়ী রাশেদুল ইসলাম বলেন, আজ মরিচের বাজার চড়া। সরবরাহ কম, তাই দাম বেশি। এক বস্তার জায়গায় এক পাল্লা এনেছি। রাজশাহী উপশহর নিউ মার্কেট বাজারের ব্যবসায়ী মুরশিদ হাবিব বলেন, কাঁচামরিচের দাম কম থাকলে আমাদের লাভ বেশি হয় আর দাম বাড়লে আমাদের লাভ কম হয় এবং পুঁজিও বেশি লাগে। একটি ব্যাংকের নাইট গার্ড সুমন বলেন, বাজারে সবকিছুর দাম বেড়েছে আমার বেতন তো বাড়েনি। এখন এমন অবস্থা হয়েছে যে দুই বেলা না খেয়ে থাকতে হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার.....

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো খবর.....