শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়ায় এশিয়ান বার্তার প্রতিনিধি সম্মেলন বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ রাজশাহী জেলা শাখার ১৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী দূর্গাপূজা উপলক্ষে রাজশাহীতে এমপি বাদশার আর্থিক অনুদান সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ: মাসুদ হোসেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের ৫ টি ইউনিটে নতুন কমিটি ঘোষণা  তানোরে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মতবিনিময় সভা শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাসিকের গঠিত কমিটির সভা অনুষ্ঠিত  এলআইইউপিসি প্রকল্পের সিটি লেভেল মাল্টিসেক্টরাল নিউট্রিশন কো-অর্ডিনেশন কমিটির সভা  রাসিক মেয়রের সাথে টেনিস বিজয়ী খেলোয়াড়দের সৌজন্য সাক্ষাৎ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বহুজাতিক কোম্পানিতে চাকুরীর দক্ষতা এবং ইতিবাচক মনোভাব বিষয়ক সেমিনার 

ডেভিলস টাওয়ার ( প্রথম পাঠ )

রিপোর্টারের নাম
  • সময় : সোমবার, ৮ আগস্ট, ২০২২
  • ৪৯ দেখেছেন

বৈচিত্র্যময় এই বিশ্বে বিচিত্র দৃশ্যের যেন কোন অভাব নেই। বিশ্বজুড়ে রয়েছে হাজারো অদ্ভুত সব প্রাকৃতিক নিদর্শন। যা মানুষকে করে তোলে মুগ্ধ এবং বিস্মিত। ঠিক তারই ধারাবাহিকতায় বিস্ময়কর এক প্রাকৃতিক নিদর্শন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াইয়োমিং রাজ্যে আগ্নেয় শিলার দ্বারা গঠিত ‘ডেভিলস টাওয়ার’। যা ক্লাইম্বিং ও পর্বতারোহীদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। ডেভিলস টাওয়ার প্রথমে দেখলেই যে কারো মনে হতে পারে এটি প্রাচীন কোনো স্থাপত্য। তবে তা নয়, এটি সম্পূর্ণই একটি প্রাকৃতিক নিদর্শন। এমনকি যে কারোর ভুল হতে পারে এর নাম শুনেও। এই নিদর্শনাটির নাম ডেভিলস টাওয়ার। কিন্তু নামে টাওয়ার হলেও এটি আসলে আগ্নেয় শিলার দ্বারা গঠিত একটি পর্বত। ডেভিলস টাওয়ার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াইয়োমিং রাজ্যের ৫.৪ বর্গ কি.মি জায়গা জুড়ে অবস্থিত। এটির উচ্চতা ভূপৃষ্ঠ থেকে ৮৬৭ ফুট (২৬৫ মিটার) এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫১১২ ফুট (১৫৫৯ মিটার) উপরে অবস্থিত। এই পর্বতের সমতল চূড়ার আয়তন প্রায় ১.৫ একর। দেখতে অনেকটা গাছের গুড়ি বা ফাঁপা মনে হলেও এটি আসলে নিরেট পর্বত। এখন ভাবছেন তো, অদ্ভুত এই নামটি কিভাবে আসলো? ডেভিলস টাওয়ার নাম করনের পদ্ধতিটা ছিল ভিন্ন ধরনের। আমেরিকার কর্নেল রিচার্ড ইরভিং ডজের নেতৃত্বে ১৮৭৫ সালে ভূতত্ত্ববিদ ওয়াল্টার পিজেনি ব্ল্যাক হিল অঞ্চলে ভূতাত্ত্বিক গবেষণা পরিচালনা করার এক পর্যায়ে তারা জানতে পারেন ঐ অঞ্চলে স্বর্ণ খন্ডিত আছে। তবে তারা বহু অনুসন্ধান শেষেও কোন ধরনের স্বর্ণ খুঁজে পেলেন না। কিন্তু যা খুঁজে পেলেন তা হলো ডেভিলস টাওয়ার। এই টাওয়ারের সৌন্দর্য দেখে তারা রীতি মতো মুগ্ধ হয়ে গেলেন। একে অনায়াসেই বিশ্বের সবচেয়ে অসাধারণ চূড়াগুলোর একটি বলে উল্লেখ করেন কর্নেল ডজ। আমেরিকার স্থানীয় বাসিন্দারা এই টাওয়ারকে হোম অফ বিয়ার বা ভাল্লুকের বাসস্থান বলে। তবে যে ব্যক্তি তাদের দেওয়া নামের অনুবাদ করেন, তিনি ভুলবশত খারাপ দেবতার টাওয়ার অনুবাদ করে ফেলেন। আর এই অনুবাদকে কেন্দ্র করে কর্নেল ডজ টাওয়ারটির নাম দেন ডেভিলস টাওয়ার। যদিও এরপর এটি বিশ্বব্যাপী ডেভিলস টাওয়ার নামে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

লেখা- অর্ণব সাদিক।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার.....

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো খবর.....